মডিউল ১: বেসিক সিন্টেক্স, ভেরিয়েবলস এবং ডেটা টাইপ
মডিউল ১-০, ১-১: সূচনা
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কি?
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং হলো:
01010100 01101000 01100101 00100000 01110000 01110010 01101111 01100011 01100101 01110011 01110011 00100000 01101111 01100110 00100000 01100111 01101001 01110110 01101001 01101110 01100111 00100000 01101001 01101110 01110011 01110100 01110010 01110101 01100011 01110100 01101001 01101111 01101110 01110011 00100000 01110100 01101111 00100000 01100001 00100000 01100011 01101111 01101101 01110000 01110101 01110100 01100101 01110010 00100000 01110100 01101111 00100000 01110000 01100101 01110010 01100110 01101111 01110010 01101101 00100000 01110011 01110000 01100101 01100011 01101001 01100110 01101001 01100011 00100000 01110100 01100001 01110011 01101011 01110011.কিছু কি বুঝেছেন? আপনার উত্তর হবে না! 😄
কারণ আপনি এ ভাষা বুঝেননা। আপনার বোধগম্য ভাষায় ট্রান্সলেট করলে ঠিক বুঝতে পারবেন। Text Output অংশটি দেখুন।

একইভাবে কম্পিউটারও মানুষের ভাষা বোঝেনা। মানুষের যেমন বিভিন্ন ভাষা আছে তেমনি কম্পিউটারেরও আলাদা কিছু ভাষা আছে, যেমন- সি, সি++, পাইথন ইত্যাদি।
কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য এসকল ভাষা ব্যবহার করে যুক্তিমূলক নির্দেশনা লেখার মাধ্যমে কম্পিউটারকে কাজের নির্দেশনা দেওয়াকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বলে।
সি-প্রোগ্রামিং কি?
সি ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রামিং করাকেই সি-প্রোগ্রামিং বলে।
কেন সি শিখবেন?
সি কে বলা হয়, মাদার অফ অল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়ে। বর্তমানকালে জনপ্রিয় প্রায় সকল প্রোগ্রমিং ভাষার প্রেরণা সি।
ধরা যাক আপনি স্পেনিশ, ইটালিয়ান, ফ্রেঞ্চ বা পর্তুগিজ ভাষা শিখতে চাচ্ছেন। এই ভাষা গুলো শেখার আগে আপনি ল্যাটিন ভাষা শিখে নিলে আপনার কাছে এসকল ভাষা বোঝা সহজ হবে। কারন ল্যাটিন ভাষা থেকেই এসকল ভাষার উৎপত্তি। সি শেখার মাধ্যমে আপনি সি ভাষার তৈরি পুরো প্রোগ্রমিং ভাষার পরিবারকে সহজে বুঝতে পারবেন। সি প্রোগ্রামিং এর জ্ঞান আপনাকে দেবে প্রোগ্রামিং এর স্বাধীনতা।
সি শেখার বিভিন্ন কারণঃ
1. শেখা সহজ:
- সি প্রোগ্রামিং শেখা অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষার তুলনায় সহজ।
- সি ভাষার সিনট্যাক্স সহজ।
2. শক্তিশালী ভাষা:
- সি একটি শক্তিশালী ভাষা যা দিয়ে বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম, ডেটাবেস, এমবেডেড সিস্টেম, গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) এবং গেমস তৈরিতে সি ভাষা ব্যবহার করা হয়।
3. অন্যান্য ভাষার ভিত্তি:
- সি ভাষা অনেক জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষার (যেমন: C++, Java) ভিত্তি।
- সি ভাষা শিখলে আপনি অন্যান্য ভাষা সহজেই শিখতে পারবেন।
4. লজিক্যাল চিন্তাভাবনা বৃদ্ধি:
- সি প্রোগ্রামিং আপনাকে লজিক্যাল চিন্তাভাবনা করতে শেখাবে।
- প্রোগ্রামিং করার জন্য আপনাকে সমস্যার সমাধান করার জন্য লজিক্যাল পদক্ষেপ নিতে হবে।
মডিউল ১-২:বেসিক স্ট্রাকচার
নিচের ছবিটি লক্ষ্য করঃ

মানব শরীরকে আমরা ২ ভাগে ভাগ করতে পারি, i) Head ii) Body
বডির বিভিন্ন অংশ বা ফাংশন কীভাবে কাজ করবে তা বলা থাকে হেড অংশে। একইভাবে এরসাথে আমরা তুলনা করতে পারি নিচের ছবির সাথে।

সি তে বডি অংশে আমরা কোড লিখব, যেখানে ফাংশনের কাজ কেমন হবে তা বলা থাকবে হেড অংশের হেডার ফাইলে।
হেডার ফাইল কি?
হেডার ফাইল হল মুলত .h এক্সটেনশন যুক্ত ফাইল যেখানে বিভিন্ন লাইব্রেরি ফাংশনের কাজ বর্ণনা করা থাকে যাতে প্রতিটি জিনিসের জন্য কোড লিখতে না হয়, এটি কোডের লাইনের জটিলতা এবং সংখ্যা কমাতে সাহায্য করে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ হেডার ফাইল:
- stdio.h: ইনপুট এবং আউটপুট ফাংশন
- stdlib.h: মেমরি অ্যালোকেশন এবং প্রোগ্রাম টার্মিনেশন
- string.h: স্ট্রিং ম্যানিপুলেশন
- math.h: গাণিতিক ফাংশন
- time.h: সময় এবং তারিখের কাজ করার জন্য
মডিউল ১-৩: প্রথম সি প্রোগ্রাম
প্রথম সি প্রোগ্রাম
এই প্রোগ্রামটি "Hello, World!" ম্যাসেজ প্রিন্ট করবে। নীচে প্রোগ্রামটির লাইন বাই লাইন বর্ণনা দেওয়া হলোঃ
#include <stdio.h>
int main() {
printf("Hello, World!\n");
return 0;
}1. #include <stdio.h>: এই লাইনটি হেডার ফাইল <stdio.h> যুক্ত করে। এই হেডার ফাইলে printf() ফাংশন ডিফাইন করা আছে।
হেডার ফাইলের সুবিধা:
- কোড পুনঃব্যবহার: একই হেডার ফাইলটি একাধিক প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, এতে কোড পুনঃব্যবহার করা যায় এবং কোডের পরিমাণ কমে।
- স্ট্যান্ডার্ড ফাংশন: স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি ফাংশনগুলোর (যেমন:
printf,scanf) কাজ হেডার ফাইলগুলিতে বর্ণনা করা হয়। - কোড সাবলীলকরণ: হেডার ফাইল কোডকে আরও পড়তে ও বজায় রাখতে সহজ করে।
উদাহরণ:
stdio.h হলো স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট/আউটপুট (Standard Input and Output) অপারেশনের জন্য হেডার ফাইল। এই ফাইলটি printf এবং scanf ফাংশনগুলির ডিক্লারেশন ধারণ করে, যা যথাক্রমে কনসোলে তথ্য প্রদর্শন এবং ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
হেডার ফাইল দুই ধরনেরঃ
- স্ট্যান্ডার্ড হেডার ফাইল: এগুলো C প্রোগ্রামিং লাইব্রেরির সাথে আসে (যেমন:
stdio.h,math.h,string.hইত্যাদি)। - ইউজার-ডিফাইন হেডার ফাইল: নিজের প্রোগ্রামের জন্য পুনঃব্যবহারযোগ্য কোড সংরক্ষণের লক্ষ্যে নিজস্ব হেডার ফাইল তৈরি করা যায়।
2. int main(): এই লাইন প্রোগ্রামের মূল ফাংশন main() শুরু করে। এই ফাংশন হলো প্রোগ্রামের এন্ট্রি পয়েন্ট।
3. { এবং }: এই ব্র্যাকেটগুলো মূল ফাংশনের বডির শুরু এবং শেষ নির্দেশ করে।
4. printf("Hello, World!\n"); printf() ফাংশনের মাধ্যমে "Hello, World!" ম্যাসেজটি প্রিন্ট করা হয়। \n দ্বারা নিউলাইন চিহ্ন যুক্ত করা হয়েছে যাতে পরবর্তী আউটপুট নতুন লাইনে শুরু হয়।
5. return 0; main() ফাংশন থেকে 0 রিটার্ন করে, যা প্রোগ্রামের সফল এক্সিকিউশনের সংকেত দেয় (ডিটেইল পরে ফাংশন অধ্যায়ে)।
কিভাবে এ প্রোগ্রাম কাজ করে?
প্রোগ্রামটি রান করার পর প্রথমে main() ফাংশনটি কাজ শুরু করে। এটি প্রোগ্রামের স্টার্টিং পয়েন্ট। তারপর printf() ফাংশন "Hello, World!" বার্তাটি কনসোলে প্রিন্ট করে। এই স্ট্রিংটির পরে থাকা \n একটি নতুন লাইন তৈরি করে।
শেষে main() ফাংশন 0 রিটার্ন করে, যা নির্দেশ করে প্রোগ্রামটি সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে।
মডিউল ১-৪, ১-৫: প্রোগ্রাম রান করি + সি আউটপুট
ফোল্ডার তৈরি করে VS Code এ সে ফোল্ডার ওপেন করে সি ফাইল তৈরি করব। মনে রাখতে হবে সি ফাইলের এক্সটেনশন হবে .c। ফাইলের নাম লেখার নিয়ম: file_name.c।

ফাইল তৈরি করার পর এখন আমাদের কাজ হলো কোড করে রান করা। আমরা ২ ভাবে রান করতে পারি (সেটিংসের উপর ভিত্তি করে ভিন্নতা থাকতে পারে):
১) টার্মিনালে রান করা
এডিটরে 1 দিয়ে চিহ্নিত করা আইকনে ক্লিক করে 2 দিয়ে চিহ্নিত করা Run Code অপশনে ক্লিক করলেই টার্মিনালে আউটপুট দেখতে পাবো।

২) টেক্সট ফাইলে রান করা
ইনপুট নেওয়ার জন্য input.txt ফাইল এবং আউটপুট দেখার জন্য output.txt ফাইল তৈরি করি এবং F9 চাপলে আমরা output.txt ফাইলে রেজাল্ট দেখতে পাবো।

তোমার কোডে কোনো প্রকার এরর না থাকলে রেজাল্ট দেখতে পাবে। অন্যথায় কোডে error থাকলে টার্মিনালে error message দেখাবে। যেমনঃ

মডিউল ১-৬, ১-৭: ভেরিয়েবল এবং ডেটা টাইপ
C প্রোগ্রামিংয়ে ডাটা টাইপ (Data Type): বাস্তব জীবনের উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে, ডাটা টাইপ (data type) নির্দেশ করে যে ধরনের ডাটা একটি ভেরিয়েবল (variable) সংরক্ষণ করতে পারে। বিভিন্ন ধরনের ডাটার জন্য আলাদা আলাদা ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। ঠিক যেমন বাস্তব জীবনে বিভিন্ন ধরনের বস্তু (object) আছে এবং সেগুলোকে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়, ঠিক তেমনি প্রোগ্রামিংয়েও বিভিন্ন ডাটার জন্য আলাদা ডাটা টাইপ ব্যবহার করে সেগুলোকে সঠিকভাবে মেমরিতে (memory) রাখা হয়।
উদাহরণ:
- কাপ (cup): আপনি একটি কাপে চা, কফি বা জমিয়ে রাখতে পারেন। কিন্তু আপনি সেই কাপে গ্যাসীয় পদার্থ রাখতে পারবেন না। এটি ঠিক যেমন C প্রোগ্রামিংয়ে
intডাটা টাইপ শুধুমাত্র পূর্ণসংখ্যা (integer) ধারণ করতে পারে।
C প্রোগ্রামিংয়ে সাধারণ কিছু ডাটা টাইপ:
- int: পূর্ণসংখ্যা (integer) ধারণ করে (যেমন: ১০, -২৫, ১২৩৪৫)
- float: দশমিক সংখ্যা (decimal number) ধারণ করে (যেমন: 3.14, -9.25, 100.75)
- char: একটি character ধারণ করে (যেমন: 'A', 'b', '$', '&')
- double:
floatএর চেয়ে বেশি দশমিক স্থান (decimal places) সহ দশমিক সংখ্যা ধারণ করে।
ডাটা টাইপ নির্বাচন:
কোন ডাটা টাইপ ব্যবহার করবেন, তা নির্ধারণ করা হয় আপনি কি ধরনের ডাটা আপনার ভেরিয়েবলে সংরক্ষণ করতে চান তার উপর ভিত্তি করে। উপযুক্ত ডাটা টাইপ নির্বাচন করলে মেমরি ব্যবহার কম হয় এবং প্রোগ্রামের efficiency বাড়ে।
উদাহরণ:
- বয়স (age) সংরক্ষণের জন্য:
int age; - পাই (pi) এর মান সংরক্ষণের জন্য:
float pi = 3.1416; - গ্রেড (grade) সংরক্ষণের জন্য:
char grade = 'A';
ভেরিয়েবল (Variable) in C: বাস্তব জীবনের উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে, ভেরিয়েবল (variable) হলো একটি নামযুক্ত মেমরি লোকেশন, যা ডাটার মান সংরক্ষণ করে। এই মান প্রোগ্রাম চলাকালীন পরিবর্তন হতে পারে।
উদাহরণ:
- মানি-ব্যাগ: আপনার পকেটে থাকা মানি-ব্যাগ একটি ভেরিয়েবলের মতো কাজ করে। মানি-ব্যাগের মধ্যে থাকা টাকার পরিমাণ (মান) পরিবর্তনশীল; ঠিক তেমনি ভেরিয়েবলের মানও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে।
কিভাবে ভেরিয়েবল declare করা হয়?
C প্রোগ্রামিংয়ে, ভেরিয়েবল ব্যবহার করার আগে তা declare করতে হবে। সিনট্যাক্স:
data_type variable_name;- data_type: ভেরিয়েবলটি কোন ধরনের ডাটা সংরক্ষণ করবে (যেমন:
int,float,char). - variable_name: অর্থপূর্ণ, নিয়ম মেনে রাখা নাম।
উদাহরণ:
int age; // age হলো একটি integer ভেরিয়েবল যা বয়স সংরক্ষণ করবে
float pi = 3.1416; // pi হলো একটি float ভেরিয়েবল যা pi এর মান সংরক্ষণ করবে
char initial = 'A';// initial হলো একটি char ভেরিয়েবল যা একটি character সংরক্ষণ করবেভেরিয়েবলের ব্যবহার:
- মান Assign করা:
=অপারেটর দিয়ে নতুন মান দেওয়া যায়। - মান Access করা: প্রোগ্রামে ভেরিয়েবলের মান ব্যবহার করা যায়।
উদাহরণ:
int age = 25; // age ভেরিয়েবলে 25 মান assign করা হলো
printf("Your age is: %d", age); // age এর মান প্রিন্ট (output: Your age is: 25)C প্রোগ্রামিংয়ে ফরম্যাট স্পেসিফায়ার (Format Specifier)
printf() ফাংশন ব্যবহার করে ডাটাকে কনসোলে প্রিন্ট করা হয়। প্রিন্ট করার সময় ফরম্যাট স্পেসিফায়ার নির্দিষ্ট করে কোন ডাটা টাইপের মান প্রিন্ট হবে।
নিচের চিত্রে সাধারণ কিছু ডাটা টাইপ এবং ফরম্যাট স্পেসিফায়ার দেখানো হলো:

উদাহরণ:
printf("Age: %d", age);—ageinteger,%dদিয়ে integer হিসেবে প্রিন্ট।printf("Pi: %f", pi);—pifloat,%fদিয়ে দশমিক সংখ্যা।printf("Initial: %c", initial);—initialchar,%cদিয়ে character।printf("Big number: %lf", bigNumber);—bigNumberdouble,%lfদিয়ে প্রিন্ট।printf("Name: %s", name);—namestring (character array),%sদিয়ে প্রিন্ট।
মডিউল ১-৮, ১-৯, ১-১০, ১-১১: প্রিন্টিং ভ্যারিয়েবল + সি ইনপুট + এস্কেপ সিকুয়েন্স
সি প্রোগ্রামিংয়ে ইনপুট (Input)
C প্রোগ্রামিংয়ে, ইনপুট বলতে বোঝায় ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য (data) যা প্রোগ্রামটি গ্রহণ করে।
scanf() ফাংশন ব্যবহার করে কীবোর্ড থেকে ইনপুট নেওয়া হয়। scanf() ফাংশনটি stdio.h হেডার ফাইলে সংজ্ঞায়িত থাকে।
scanf() ফাংশনের ব্যবহার:
scanf("%format_specifier", &variable_name);উদাহরণ:
int age;
scanf("%d", &age); // age ভেরিয়েবলে ইন্টিজার ইনপুট নেওয়া হচ্ছেformat_specifier:
scanf() ফাংশনে বিভিন্ন ফরম্যাট স্পেসিফায়ার ব্যবহার করা হয়। কিছু সাধারণ স্পেসিফায়ার:
%d: ইন্টিজার (integer)%f: ফ্লোটিং-পয়েন্ট (floating-point) সংখ্যা%c: character
& (Ampersand) অপারেটর:
& অপারেটর ব্যবহার করে ভেরিয়েবলের ঠিকানা (address) পাওয়া যায়। scanf() ফাংশন ওই ঠিকানায় ইনপুট স্টোর করে।
নিচে একসাথে একাধিক ইনপুট নেওয়া এবং প্রিন্ট করার উদাহরণ:
int main() {
int age;
float pi;
char initial;
// scanf() ফাংশন ব্যবহার করে ইনপুট নেওয়া
scanf("%d %f %c", &age, &pi, &initial);
// প্রিন্ট করা
printf("Age: %d\n", age);
printf("Pi: %f\n", pi);
printf("Initial: %c\n", initial);
return 0;
}সম্ভাব্য Output (উদাহরণ ইনপুট: 10 3.14159 A):
Age: 10
Pi: 3.141590
Initial: Aসি প্রোগ্রামিংয়ে এস্কেপ সিকুয়েন্স (Escape Sequence)
সি-তে এস্কেপ সিকুয়েন্স হলো বিশেষ অর্থবাহী ক্যারেক্টারের সমাহার, যা ব্যাকস্ল্যাশ \ দিয়ে শুরু হয়।
কিছু সাধারণ এস্কেপ সিকুয়েন্স:
\n: নিউ লাইন (New Line) — পরের লাইনে প্রিন্ট করে\t: হরাইজন্টাল ট্যাব (Horizontal Tab)\": ডাবল কোট প্রিন্ট করার জন্য\': সিঙ্গেল কোট প্রিন্ট করার জন্য\\: ব্যাকস্ল্যাশ প্রিন্ট করার জন্য%%: পারসেন্ট সাইন%প্রিন্ট করার জন্য
উদাহরণ:
#include <stdio.h>
int main() {
printf("This is a line with a newline character\n");
printf("This is a line with a horizontal tab\tright here.\n");
printf("This string contains a \"double quote\"\n");
printf("This string contains a \'single quote\'\n");
printf("This string contains a \\backslash\\\n");
printf("This string contains a percent sign %%.\n");
return 0;
}সম্ভাব্য Output:
This is a line with a newline character
This is a line with a horizontal tab right here.
This string contains a "double quote"
This string contains a 'single quote'
This string contains a \backslash\
This string contains a percent sign %.মডিউল ১-১২, ১-১৩: ডেটা টাইপ লিমিটেশন
সি প্রোগ্রামিংয়ে ডেটা টাইপের সীমাবদ্ধতা
কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। প্রতিটি ডেটা টাইপের নিজস্ব কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। এই সীমাবদ্ধতা বুঝতে গেলে, কম্পিউটার মেমরি কীভাবে কাজ করে, সেটা জানা দরকার।
বিট (Bit) এবং বাইট (Byte) কী?
- বিট (Bit): কম্পিউটার মেমোরির মৌলিক একক। এটি 0 বা 1 মান ধারণ করে।
- বাইট (Byte): 8 বিট মিলে 1 বাইট; সাধারণত মেমরির আকার বাইটে মাপা হয়।
ডেটা টাইপের সীমাবদ্ধতা:
C-তে প্রতিটি ডেটা টাইপের একটি নির্দিষ্ট আকার (bytes) থাকে, যা সেই টাইপে কী পরিমাণ মান রাখা যাবে তা নির্ধারণ করে। ঠিক ডেটা টাইপ না বেছে নিলে ভুল ফলাফল আসতে পারে।
কিছু সাধারণ ডেটা টাইপ ও সীমাবদ্ধতার সারাংশ:

উদাহরণ সহ ব্যাখ্যা
1) পূর্ণ সংখ্যার সীমাবদ্ধতা (Integer Overflow):
int population = 10000000000; // 32-বিট int সীমার বাইরে
// এই মানটি int-এ সঠিকভাবে store হবে না; অপ্রত্যাশিত মান দেখা দিতে পারে।
printf("population: %d\n", population);ব্যাখ্যা: এখানে 10000000000 একটি 32-বিট int-এর সর্বোচ্চ মান (−2147483648 থেকে 2147483647) ছাড়িয়ে গেছে, তাই মানটি ঠিকভাবে সংরক্ষিত হবে না।
সমাধান: বড় পূর্ণসংখ্যার জন্য long int বা long long int ব্যবহার করুন।
2) দশমিক সংখ্যার সীমাবদ্ধতা (Floating-Point Precision):
float distance = 12345678.987654321; // float এ এত বেশি precision থাকে না
// হিসাব/প্রিন্ট সময়ে সঠিক মান নাও আসতে পারে
printf("distance: %f\n", distance);ব্যাখ্যা: float সীমিত দশমিক ঘর সঠিকভাবে ধরে রাখতে পারে।
সমাধান: অধিক নির্ভুলতার জন্য double ব্যবহার করুন।
মডিউল ১-১৪: ভেরিয়েবল নামকরণের নিয়মাবলি
সি প্রোগ্রামিংয়ে ভেরিয়েবল নামকরণের নিয়মাবলি (উদাহরণ সহ)
১) অক্ষর এবং সংখ্যা:
- ভেরিয়েবলের নাম শুরু হবে একটি অক্ষর (a-z, A-Z) অথবা আন্ডারস্কোর
_দিয়ে। - নামের মধ্যে অক্ষর (a-z, A-Z), সংখ্যা (0-9), এবং আন্ডারস্কোর
_ব্যবহার করা যায়।
সঠিক ভেরিয়েবল নাম:
student_nameage_agetotal_salesis_registered
ভুল ভেরিয়েবল নাম:
1number(শুরুতে সংখ্যা নয়)total-sales(হাইফেন-নয়, আন্ডারস্কোর_ব্যবহার করুন)age_*(আন্ডারস্কোর ছাড়া বিশেষ চিহ্ন চলবে না)+age(আন্ডারস্কোর ছাড়া বিশেষ চিহ্ন চলবে না)
২) সংরক্ষিত শব্দ (Keywords):
সি-র সংরক্ষিত শব্দগুলো ভেরিয়েবল নাম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। উদাহরণ: int, float, if, else, while, for ইত্যাদি।
উদাহরণ:
int→ ভুল (কিওয়ার্ড)num = 10;→ ঠিক আছে; এখানেnumএকটি ভেরিয়েবল
৩) ক্ষুদ্র/বড় হাতের অক্ষর (Case Sensitivity):
সি-তে age এবং Age আলাদা ভেরিয়েবল হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ:
age(বয়স) এবংAge(ভিন্ন ভেরিয়েবল)
৪) সার্থক নামকরণ:
নাম এমন দিন যাতে ভেরিয়েবলটি কী ডাটা ধারণ করে তা বোঝা যায় — কোড পড়া ও বজায় রাখা সহজ হয়।
উদাহরণ:
total_marks(মোট নম্বর) বা আরও প্রসঙ্গভিত্তিকstudentMarks(শিক্ষার্থীর নম্বর)y— অর্থ বোঝা কঠিন; এড়িয়ে চলুন
এই নিয়মাবলি মানলে আপনার সি প্রোগ্রাম পড়া ও লেখা সহজ হবে।
